নির্বোধের উপলব্ধি
আপন ছন্দে প্রতি মুহূর্তে ব্যাপৃত হচ্ছে মহাকাল,
প্রসারিত হচ্ছে প্রতি মুহূর্তে স্থির হবার অশান্ত অভিপ্রায়ে;
শত সহস্র ক্ষণের গাঢ় অন্ধকার শূণ্যতা নিয়ে।
হতে থাকবে।
জন্মদানের অদম্য নেশায় মাতাল প্রকৃতি
জন্ম দিচ্ছে স্পন্দনের- কণা থেকে কণাতে, প্রতিনিয়ত;
অদূর প্রশান্তির মিথ্যে স্বান্তনায়।
দিতে থাকবে।
অবিরল তৃষ্ণার্তের অবলম্বন সমুদ্র,
শুষ্ক আবেগে বার বার আছড়ে পড়ে ধূসর বালিয়াড়ির শুষ্কতর বুকে
ধনুক রোগীর কাঁপা কাঁপা অতিরিক্ত একটি নিঃশ্বাস নেবার ব্যাকুলতায়।
পড়তে থাকবে।
কোন কিছুতেই ছন্দপতন হবে না এ চিরন্তনের,
পূরণ হবে না এই তুচ্ছ, অর্ধ্ববিস্মৃত উদ্দেশ্যগুলো,
বদলাবে না এই গতির লয়।
শুধু বদলে যাচ্ছে এই বিশ্বব্রক্ষ্মান্ডের একটি মাত্র সদস্য।
মানুষ।
সব প্রসারণের তীব্রতার মাঝে কেন আজ সে হেরে যাচ্ছে?
বিকাশের সর্বব্যাপী প্রতিযোগিতায় কেন আজ তার এই সংকোচন?
কেন তাকে আজ চলতে হচ্ছে গতির বিপরীতে?
স্রষ্টার কাছে আজ ভিক্ষা চাইছি একটি পূণর্জন্মের সুযোগ
সে জন্মে জন্মাতে চাই উটপাখি হয়ে,
মানুষের অভিনব রূপান্তরের আকস্মিকতায় যখনই হতবুদ্ধি হয়ে পড়ব-
নির্বিবাদে তখনই মাথা গুঁজে দেব মরুর তপ্ত বুকে
হয়ত রেহাই পাব এ বিবর্ণ লজ্জা থেকে,
যাতে আকন্ঠ ডুবে আছি মানুষ নামের বিশেষত্বে।।
----
৬।৯।'০৪
ঢাকা
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন