প্রশ্ন
নিশ্চল অবসন্ন পৃথিবী আজ এখানে থমকে, এ শহরের প্রান্তে
যেখানে প্রোথিত জন্ম-জন্মান্তরের আকাঙ্খিত নির্জলা নিরবতা
হাতড়ালে উঠে আসে সরস সজীবতা মুঠি মুঠি
কোলাহলের ক্লান্তিহীন দেদীপ্যমান প্রদীপশিখা এখানে স্তিমিত
ঝিঁঝিপোকার ছন্দময় কোরাসে ঝিমিয়ে পড়ে নোঙরছেঁড়া মন।
হাতের আঙুলের সাথে অনাবৃত মাটির আলিঙ্গন,
বহু যুগের অপেক্ষমাণ তৃষিত আলিঙ্গন
সময়ের অশরীরী পদধ্বনি এখানে ঝংঙ্কৃত হয়
প্রকৃতির নিরবতা পালনে।
বাতাসের উগ্র চুম্বনে ক্রমশ অস্থির শস্যক্ষেত এখানে
দুলে ওঠে অজানার আশঙ্কায়
আজব এক শিহরণ বয়ে চলেছে রোমকূপের গোড়ায় গোড়ায়
অচেনা হর্ষে।
সব সন্তানের ক্ষুধা স্তন্যপানে নিবৃত্ত করে তৃপ্ত অদিতি
আজ এখানে নিদ্রিত,
এ নিষ্কলুষ শহর প্রান্তে।
এ নির্গূঢ় প্রশান্তির সীমানায় ফেরার আমি দাঁড়িয়ে,
নিসঙ্কোচে বাড়িয়েছি হাত আপন অস্তিত্বের দূর্লভ স্পর্শের লোভে,
মনে সহস্র প্রশ্ন নিয়ে,
অভেদ্য কোন রহস্য সমাধানের প্রগাঢ় ব্যাকুলতায়,
আপন অনন্তের সীমান্ত ছুঁতে।
থামিয়োনা কেউ আমায় এ অনিশ্চিত যাত্রায়।
----
৭।৮।'০৪
ঢাকা
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন